Home India বাংলাবাজারে অবৈধভাবে টাকা তোলার বিরোধিতায় শ্যামল রায়।

বাংলাবাজারে অবৈধভাবে টাকা তোলার বিরোধিতায় শ্যামল রায়।

373
0

বাংলাবাজারে অবৈধভাবে টাকা তোলার বিরোধিতায় শ্যামল রায়।পুরনিগমের বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্বেও,কিছু অসাধু ব্যক্তি বাজার রক্ষনা বেক্ষনের নাম করে অবৈধভাবে টকা তুলছে বাংলাবাজার থেকে। এমনই অভিযোগে সরব শিলিগুড়ি পুরনিগম ৪২ নম্বর ওয়ার্ড বাংলাবাজারের রক্ষনাবেক্ষনের দায়ীত্বে থাকা শ্যামল রায়। তিনি জানান,১০০ টি দোকান রয়েছে এই বাংলা বাজারে।বাজার রক্ষণা বেক্ষন সহ দেখাশোনার জন্য পুরনিগম থেকে টেন্ডার করে দায়ীত্বভার তুলে দেওয়া হলেও,ব্যবসায়ীর একাংশ তা মেনে নেয়নি।ফলে মাসিক ২-৫ টাকা দিতে দ্বিধাবোধ করে বলে জানান,শ্যামল রায়।তিনি জানান চলতি বছরে এপ্রিলমাসে পুরনিগমের পক্ষ থেকে এই বাজার রক্ষনাবেক্ষন সহ মাসিক কর আদায়ের দায়ীত্বভার পাই।বিনিময়ে ৫৬ হাজার টাকা পুরনিগমে জমা দিতে হয়েছে।তা সত্বেও,টাকা আদায়ের সময় নানান অজুহাত দেখাতে থাকে দোকান দারেরা।দীর্ঘদিন ধরেই টালবাহানায় এখন তা বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে।আমার কাছে পুরনিগমের নথি থাকা সত্বেও মাসীক কর ২ থেকে ৫ টাকা আদায় করতে গেলে ,নানান কথা শুনতে হয় ব্যবসায়ীদের কাছে । অহেতুক ঝামেলায় না জড়িয়ে মাস তিনেক আগে থেকেই বন্ধ করে দিয়েছি। তবে এখন যে কমিটি অবৈধভাবে টাকা আদায় করছে,তাদের কাছে কোনও বৈধ কাগজপত্র নেই। এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বামেদের হবার সুবাদে,বাম সমর্থিত কিছু অসাধু ব্যক্তি অবৈধভাবে এই টাকা আদায় করে চলেছে।পুরনিগমকে এবিষয়ে জানিয়ে,কোনোও সুরাহা মেলেনি।কেননা এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবার পুরনিগমের চেয়রাম্যান।ব্যবসায়ীরা কিভাবে নিজেরাই কমিটি গঠন করে টাকা তুলছে?এবিষয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়াও তিনি জানান,এবিষয়ে স্থানিয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে আলোচনায় বসতে গেলে,বারবার তৃনমূল কর্মি সমর্থিকেরা এগিয়ে আসে।ফলে কার্যত ফলস্বরূপ কোনও আলোচনাই হচ্ছে না।এমতাবস্থায় নিরুপায় হয়ে রয়েছি বলে দাবি করেন তিনি। এবিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলতে গেলে,মুখে কুলুপ এটে বসে থাকেন। ব্যবসায়ীর একাংশ জানায়,বাজার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই,মাঝে মাঝে এমন ঘটনা ঘটে।তবে কে বা কারা দায়ীত্ব নিয়ে এই টাকা আদায় করে চলেছে তাদের জানা নেই।

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here