Home Darjeeling জামাইষষ্ঠীতে বাজার ছিল অগ্নিমূল্য

জামাইষষ্ঠীতে বাজার ছিল অগ্নিমূল্য

115
0

শিলিগুড়ি, ১৯ জুন: আজ জামাইষষ্ঠী।জামাইরা যেমন শ্বশুর–শাশুড়ির মন পেতে কার্পন্য করেন না, তেমনই জামাইকে তুষ্ট রাখতে কোনও ত্রুটি রাখেন না শ্বশুর–শাশুড়িরাও।এদিন সকাল সকাল দেখা গেল শিলিগুড়ির বিভিন্ন মন্দিরে  মায়েদের ভিড়। জামাইয়ের মঙ্গলকামনায় পুজো দিলেন তাঁরা। আর শ্বশুর মশাইও হাতে ব্যাগ নিয়ে রওনা দিলেন বাজারের উদ্দেশ্যে। এই ছবি এদিনও অন্য বছরের মতো একই ছিল। তবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রভাব যেন জামাইষষ্ঠীর আনন্দকে এদিন একটু ফিকে করতে চাইছিল। ফল, সবজি, মাছ–মাংস বা মিষ্টির দোকান প্রতিটি স্থানেই এদিন ছিল দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ছবি। কয়েকদিন আগে নিপা ভাইরাসের আতঙ্কে ফল–মূল খাওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিলেন প্রত্যেকেই। আম, লিচু, বেদানা থেকে শুরু করে প্রতিটি জিনিসের দামও অনেক কমে গিয়েছিল। কিন্তু এদিন হঠাতই দাম বেড়ে যায় দ্বিগুণ। সবজির বাজারেও আগুন। পটল, আলু সহ বিভিন্ন সবজির দাম এদিন হঠাতই একটু বেড়ে যায় সবার অজান্তেই। আর মাছ–মাংসের দোকানে তো এদিন ছিল উপচে পড়া ভিড়। যে ইলিশ কয়েকদিন আগে মাত্র ৪০০–৫০০ টাকায় বিকিয়েছে, তা এদিন ছিল ১০০০ টাকা। বোয়াল ৬০০, কাতল ৪০০ টাকা কেজি দরে বিকিয়েছে। মাংসেরও দাম খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এদিন। এদিকে, জামাইষষ্ঠীর দিনে মিষ্টির চাহিদা যে একটু বেশি থাকবে তা বলাই বাহুল্য। মিষ্টি প্রস্তুতকারকরা এদিন নিত্যনতুন কিছু মিষ্টি তৈরি করলেও, তার দাম খানিকটা বেশি ছিল। বেলা বাড়তে বাড়তেই পাড়ার মিষ্টির দোকানগুলি থেকে মিষ্টি শেষ হয়ে যায়। অন্যদিকে, জামাইষষ্ঠীর পুজো করতে প্রয়োজনীয় দ্রব্য পাখা, ধান, দূর্বা, ফুল প্রতিটি জিনিসেরও দাম বেড়েছিল এদিন। ফলে এদিন জামাইদের আদর–আপ্যায়ন করতে হিমশিম খেতে হয় শ্বশুর–শাশুড়িদের।একইসঙ্গে বাজারও আগুন। তাই অনেক বাড়িতেই এদিন কম পদ তৈরি করাই শ্রেয় বলে মনে করেছিল। হেঁসেলে টান পড়েছিল এদিন।