Home Jalpaiguri ভবানি পাঠকের মন্দিরে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দায়ী শর্ট সার্কিট

ভবানি পাঠকের মন্দিরে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দায়ী শর্ট সার্কিট

143
0

,জলপাইগুড়ি, ২৪ ফেব্রুয়ারী : জলপাইগুড়ি র রাজগঞ্জের শিকারপুরের দেবীচৌধুরানী ও ভবানি পাঠকের মন্দির অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ভষ্মীভুত হবার ঘটনার পেছনে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন ছড়ানোকে দায়ী করল রাজ্য ফরেনসিনক সায়েন্স ল্যাবেরোটরির তদন্ত রিপোর্ট।শনিবার নিজের কার্য্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে এই খবর দেন জেলা পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি।রাস্তার বিদ্যুতের লাইন থেকে হুকিং করে মন্দিরে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার কারনেই গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মন্দির ও মন্দিরের ভেতর সমস্ত কাঠের বিগ্রহ আগুনে পুড়ে ভষ্মীভুত হয়ে যায়।এই ঘটনার পর জেলার অন্য সমস্ত মন্দিরে বিদ্যুতের সংযোগ লাইন সুষ্ঠুভাবে করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে সমস্ত থানাকে খবরাখবর নিতে বলা হয়েছে।গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে অগ্নিকান্ডের ঘটনার পরদিন ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবেরোটরির জলপাইগুড়ি আঞ্চলিক পরীক্ষাগারের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দীপক রায় প্রাথমিক তদন্ত করেন পুড়ে যাওয়া মন্দিরের জায়গায়।১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কোলকাতার  বেলগাছিয়া থেকে রাজ্য ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবেরোটরির সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার( রসায়ন) দেবাশীষ সাহা সহ আরও এক বিশেষজ্ঞ মন্দিরে আসেন তদন্ত করতে।ফরেনসিকের তদন্ত রিপোর্টে স্পষ্টতই উল্লেখ করা হয়েছে,মন্দিরে স্থায়ী কোন বিদ্যুত সংযোগ ছিলনা।কিন্তু রাস্তার বিদ্যুতের লাইন থেকে অস্থায়ীভাবে হুকিং করে মন্দিরে বিদ্যুৎ  লাইন করা হয়েছিল।শর্ট সার্কিট থেকেই মন্দিরের উপরের অংশে আগুন ধরে।দরজা বন্ধ থাকায় মন্দিরের ভেতর প্রচুর ধোয়া ও গ্যাস,উত্তাপ তৈরি হয়েছিল।ফলে আগুন চট করে পুরানো কাঠের তৈরি মন্দিরে এবং বিগ্রহে আগুন ধরে যায়।এসজেডিএ চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী জানিয়েছেন,মন্দিরের বিদ্যুৎ, সৌন্দর্য্যায়ন,বসার জায়গা,মন্দির সংলগ্ন পুকুরের সৌন্দর্য্যায়ন করা হবে।এমনকি মন্দিরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে তাদেরই নিয়ন্ত্রনাধীনে বলে সৌরভবাবু জানিয়েছেন।গবেষক উমেশ শর্মা জানিয়েছেন,পুলিশের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়।অনেক মন্দিরেই বিদ্যুৎ সংযোগ যাতে বৈধভাবে নেওয়া থাকে তার নজরদারি করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা পুলিশ নিলে ভবিষ্যতে দেবীচৌধুরানী মন্দিরের অগ্নিকান্ডের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না।