Home Jalpaiguri স্বাস্থ্য পরিষেবার মান তলানিতে , ক্ষোভ রোগীদের

স্বাস্থ্য পরিষেবার মান তলানিতে , ক্ষোভ রোগীদের

154
0

জলপাইগুড়ি, ৯ মার্চ  : ঘটা করে চালু হলেও আজ বেহাল অবস্থা জলপাইগুড়ি জেলা সদর হাসপাতালের l সার্বিক স্বাস্থ্য পরিষেবার মান তলানিতে এসে ঠেকেছে । এই জেলা সদর হাসপাতালে বর্তমানে কোনো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ মিলছে না বলে  রোগীদের অভিযোগ। মাস কয়েক আগেই ঘটা করে এই হাসপাতালে ঢাক ঢোল পিটিয়ে চালু করা হয়েছিল মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব। এই বিভাগের  বেহাল  স্বাস্থ্য পরিষেবা এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে ।  জলপাইগুড়ির জেলা সদর হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের রোগীদের আত্মীয় পরিজনেরা ২৪ ঘন্টা খোলা আকাশের নিচে  হাসপাতালের চত্বরে দিন রাত কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে, শিশু ও মায়ের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা ও দেওয়া হচ্ছে না বলে ফের অভিযোগ জানান রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা ।   এতদিন জেলা হাসপাতালের  কয়েকটি ঘর নিয়েই প্রসূতি বিভাগের স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হত। রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর সম্প্রতি   কয়েক কোটি টাকা খরচ করে সেই প্রসূতি বিভাগকে উন্নত করে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের শুভ সূচনা করে। প্রায় তিন শতাধিক মা ও শিশুকে এক সাথে এই হাবে চিকিৎসা দেওয়া যাবে বলে জানায় স্বাস্থ্য দপ্তর। উন্নত পরিকাঠামো,  উন্নত ব্যবস্থা নিয়ে এই হাব তৈরি করা হয়।  কিন্তু রোগীর আত্মীয় পরিজনদের অভিযোগ, হাবটি বাইরে থেকে দেখতেই সুন্দর। ভেতরে চিকিৎসার  প্রয়োজনীয় কোনো পরিষেবাই নেই।  চিকিৎসকেরা সঠিক ভাবে গর্ভবতী মায়েদের দেখেন না। ভর্তি হবার পর পাঁচ দিন হয়ে গেলেও রোগীর পরিস্থিতির বিষয়ে চিকিৎসকদের সাথে কোন কথা বলা যায় না।  হাবের রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা দিন রাত খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন ।  এই বিভাগে ভর্তি থাকা রোগীদের বাড়ির লোকেদের হাসপাতাল চত্বরে থাকার  কোন ব্যবস্থাই নেই ।   আগে এই হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের বাড়ির লোকেদের থাকার জন্য নির্দিষ্ট শেড দেওয়া জায়গা ছিল। ছিল শৌচাগার। বর্তমানে এসব কোন  সুবিধেই পাচ্ছেন না রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা। মহিলা- পুরুষ সকলকেই দিন রাত কাটাতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। পুঁতি গন্ধ ময় পরিবেশ। সেই সাথে মশার দৌরাত্ম্য। যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে শুয়োরের পাল। সব মিলিয়ে রোগী পরিজনেরা ক্ষোভে ফুঁসছেন ।  এই বেহাল দশার অবস্থা দেখে মুখে কুলুপ এঁটেছে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তারা ।  হাসপাতালের এই বিভাগে ও টি থেকে রোগীনিকে বের করে আনার জন্য সাফাই কর্মীকে একশো টাকা দিতে হয় । টাকা না দিলে রোগীনিকে বেডে এনে দেওয়া হবে না । এই সব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে ।