Home Malda বিরোধীদের তোপ শুভেন্দু অধিকারীর

বিরোধীদের তোপ শুভেন্দু অধিকারীর

78
0
মালদা, ৮ আগস্ট : আদিবাসীদের জন্য তৃণমূল সরকার যেভাবে উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নিয়ে চলেছে তা আর কেউ করতে পারে নি । বিগত দিনের বাম অথবা কংগ্রেস সরকার ও আদিবাসীদের নিয়ে কখনোই উন্নয়নের কথা ভাবে নি । এমনকি কেন্দ্র সরকারও আদিবাসীদের নিয়ে ভাবে না । কিন্তু যিনি ভেবেছেন তিনি হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শুক্রবার মালদার হবিবপুরে আদিবাসীদের অনুষ্ঠানে এসে এ কথাগুলি বললেন রাজ্যের পরিবহন ও পরিবেশ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।বিশ্ব আদিবাসী দিবস ও ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ৭৫ বছর পূর্তি অনু্ষ্ঠান চলছে দু’‌দিন ধরে। শুক্রবার সামগ্রিক অনু্ষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় হবিবপুর ব্লকের বাদলবাবুর মাঠে। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন,‘‌আদিবাসী সমাজকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা চলছিল। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পগুলি তাদের কাছে পৌঁছছিল না। ঝাড়খন্ড থেকে এক দল চক্রান্ত করতে এসেছিল। কিন্তু পেরে ওঠে নি। সরকার ও আদিবাসী সমাজের মধ্যে সেতু বন্ধনের জন্য নতুন ভাবে কাজ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবহেলিত মানুষগুলি যাতে সাহায্য পান, তার জন্য প্রতিনিধিদের নিয়েই একটি কমিটি তৈরি হয়েছে। যেখানে মালদার সভাধিপতি সরলা মুর্মু, সমাজসেবী অমল কিসকুদের মতো মানুষগুলি রয়েছেন। তাঁরাই জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সেতু বন্ধনের কাজটি করবেন।’‌ এদিন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও হাজির ছিলেন সভাধিপতি সরলা মুর্মু, জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য, পুলিস সুপার অর্ণব ঘোষ, প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরি, বিধায়ক নীহার ঘোষ, সাবিনা ইয়াসমিন, সমর মুখার্জি, দীপালি বিশ্বাস-‌সহ অন্যরা। আদিবাসীদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ২০ টি প্রকল্পের শিলান্যাস-‌সহ তপশিলী উপজাতি সম্প্রদায়ের হোস্টেল সংস্কার, রাস্তার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। আদিবাসী সমাজের বিশিষ্ট নাট্যকার মিহির সরেণ, দোতারা শিল্পী সুশীল মুর্মু ও শ্রেয়া হাঁসদাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জয়েন্টে সুযোগ পেয়েছেন আদিবাসী সমাজের ৩ কৃতী। তাঁদের বইপত্র প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আনন্দধারা, কন্যাশ্রীর সাইকেল, রূপশ্রী-‌র এককালীন আর্থিক সাহায্য, বাংলার আবাস যোজনা, ভূমিহীন চাষিদের পাট্টা বিলি, গীতাঞ্জলীর ঘর, খেলার সামগ্রী প্রদান করা হয়। এদিন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,‘‌আদিবাসীরা চিরকাল মাথা উঁচু করে এসেছেন। তাঁরাই স্বাধীনতা আন্দোলনের মূল পথিকৃৎ। তাঁরাই প্রথম ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লব করেন। এখনও তাঁরা মাথা উঁচু করেই চলবেন।’‌ জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন,‘‌আদিবাসীদের অন্যান্য বিষয়ের মতো শিক্ষার ক্ষেত্রেও জোর দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে পুরাতন মালদার থুকরাবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ প্রাথমিকে উন্নীত করা হয়েছে। জেলায় একমাত্র স্কুল, যেখানে য় উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে।