Home Politics তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ , গ্রেফতার দুই , উত্তেজনা জলপাইগুড়িতে

তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ , গ্রেফতার দুই , উত্তেজনা জলপাইগুড়িতে

46
0

জলপাইগুড়ি, ১১ জানুয়ারী : তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতরা হলেন মজনু আলি ও জাহাঙ্গীর আলম। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজকেও ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে জলপাইগুড়িতে l প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে l জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ধৃতদের আদালতে তোলা হলে ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করে আদালত। বুধবার দুপুরে জলপাইগুড়ি জেলাপরিষদ চত্বরে জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ দাস ও তার অনুগামীর সাথে যুব সাংগঠনিক সম্পাদক কৌস্তভ তলাপাত্রের সাথে বিবাদ বাধে। অভিযোগ, কৌস্তভকে পুরোন বিবাদ ও গতকালের সভাতে আসা গাড়ির হাওয়া ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে মারধর করা হয়। মারধরের ভিডিও ভাইরাল হওয়া ও অভিযোগ পেয়ে অবশেষে পুলিশ বুধবার রাতে কৃষ্ণ দাসের দুই অনুগামীকে গ্রেফতার করে। এরপরেই এদিন সকাল থেকে কৃষ্ণ দাসের অনুগামী সহ কৃষ্ণ দাস থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত থানায় আটকে চলে বিক্ষোভ। গোষ্ঠী সংঘর্ষ মেটাতে থানায় হাজির হয় সাংসদ বিজয় চন্দ বর্মন। এরপর কয়েক ঘন্টা ধরে সাংসদ পুলিশ ও কৃষ্ণ দাস থানায় বৈঠক করেন। এদিকে কৃষ্ণ দাসের অনুগামীরা ধৃত যুবকদের ছাড়তে আন্দোলন শুরু করে থানা চত্বরে। অবশেষে বৈঠকের পরেও অভিযুক্ত ছাড়েননি পুলিশ। পরিস্তিতি স্বাভাবিক করতে জেলার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ লাইন থেকে আনা হয় র‍্যাফ বাহিনী । বিশাল র‍্যাফ বাহিনী দিয়ে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রুট মার্চ করানো হয় শহর জুড়ে। এছাড়াও থানায় মোতায়ান করা হয় বিশাল র‍্যাফ বাহিনী ।অবশেষে দুপুরে দুই অভিযুক্তকে কোর্টে নিয়ে যান পুলিশ। অভিযুক্তকে নিজস্ব গাড়িতে রাজকীয় ভাবে কোর্টে কেন তোলা হল সেই বিষয়টি নিয়ে বির্তকের সৃষ্টি হয়। যদিও পুলিশের দাবি নিরাপত্তা সার্থে অভিযুক্তদের ভাড়া করা গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তৃনমুলের জেলার সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ দাস বলেন, ” শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আজকে থানায় এসেছিলাম। ছোট ঘটনাকে বড় করে দেখানো হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ হয়েছে সেই বিষয়টি জানা নেই। পুলিশও আমাকে বলেনি”। জেলা তৃনমূলের সভাপতি যুব সাধারন সম্পাদক অজয় সাহা বলেন, আমাদের যুব নেতাকে প্রানে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হলেও পুলিশ কেন জামিন যোগ্য ধারায় মামলা করল। আজকে গ্রামের নেতা শহরে এসে আমাদের যুব নেতাকে মেরে দিলেন। বিষিয়টি ঠিক না। আমরা দলের নেতাদের জানিয়েছি। দ্রুত আন্দোলনে নামব”। সাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মন বলেন, ” যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা এই ঘটানায় সাথে যুক্ত নয়। নির্দোষ যুবকদের গ্রেফতার করা হয়েছে এই কারনে থানায় এসেছি। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে”। পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি বলেন,” দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা দোষী রয়েছেন সকলেই গ্রেফতার হবেন”।

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here