Home Uncategorized বিশ্ব বাংলা স্টলে জৈব সার প্রয়োগে উৎপাদিত ফসল বিক্রির উপর গুরুত্ব

বিশ্ব বাংলা স্টলে জৈব সার প্রয়োগে উৎপাদিত ফসল বিক্রির উপর গুরুত্ব

255
0
জলপাইগুড়ি, ৩ মে : কৃষকদের জৈব সার প্রয়োগে বিভিন্ন সবজি,ধান,ডালশস্য চাষে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব বাংলা স্টলে এই ধরনের উৎপাদিত ফসল বিক্রির উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।উত্তরবঙ্গেও কৃষকরা চাইলে, উৎসাহ দেখালে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর আরও বেশী সহযোগিতা করবে।বৃহষ্পতিবার জলপাইগুড়ি শহরের নেতাজি পাড়ায় বেসরকারি মেলা চত্বরে জেলা কৃষি দপ্তরের বিক্রিত জৈব সার প্রয়োগে উৎপাদিত কৃষি ফসল বিক্রির স্টল উদ্বোধনে এসে উত্তরকন্যার মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ অফিসার শুভাশিস ঘোষ নিজের বক্তব্যে এই কথা বলেন।এদিকে জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের মহারাজ নিত্য দেবানন্দ বলেন,স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন কৃষি বিপ্লব চেয়েছিলেন।গোবর,পাতা পচা দিয়ে আশ্রমে জৈব পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে।কৃষকদের এই উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে হোক ।জলপাইগুড়ি সদর মহকুমা কৃষি দপ্তরের সহকারি কৃষি অধিকর্তা ড: মেহফুজ আহমেদ জানান, যেভাবে বাজারজাত বিভিন্ন শাক সব্জিতে রাসায়নিক সার,কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে।তাতে মানুষের শরীরে বিভিন্ন রকমের রোগ দেখা দিচ্ছে।যে কারনে বিভিন্ন মহল থেকে আমাদের কাছে জৈব সারে উৎপাদিত শাক,সবজি,খাদ্য শস্য তৈরি করতে অনুরোধ এসেছে।এই জেলায় কৃষি দপ্তর নাবার্ডের সাহায্যে এবং বিভিন্ন ফার্মার্স ক্লাবের কৃষকদের দিয়ে জৈব সার সহযোগে এই ফসল উৎপাদন করেছে।আপাতত কালো চাল কেজি প্রতি ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে।কিন্তু ২৫০ এবং ৫০০ গ্রামের প্যাকেট করা হয়েছে যাতে ক্রেতারা সহজেই তা কিনতে পারে।এই কালো চাল ক্যান্সার রোগের সাহায্যে দারুন কাজ করে,তাছাড়া প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে এই কালো চালে বলে মেহফুজ আহমেদ জানান।এদিনের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ফার্মার্স ক্লাব,রামশাই কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের কো অর্ডিনেটর বিপ্লব দাস,নাবার্ডের জেলা ম্যানেজার গনেশচন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন l

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here